মৌসুমের শুরু থেকেই তরমুজের দাম চড়া। তবে রমজান আর বৈশাখের খরতাপকে কেন্দ্র করে সবুজ তরমুজেও আগুন লেগেছে।
মধ্যবিত্তদের সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে তরমুজ কেনা। তরমুজ কিনে খাওয়া তো অসম্ভব কাজ।
গরম প্রচণ্ড বলে চাহিদা বেড়েছে, কিন্তু বৃষ্টিহীন অবস্থা প্রভাব ফেলেছে ফলনে, আবার লকডাউনের কারণে পরিবহনে খরচ বেশি- এসব মিলিয়েই এবার তরমুজের বাজারে আগুন বলে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
এবার তাপদহের মধ্যে রোজা চলায় গ্রীষ্মের সরস ফল তরমুজের চাহিদা যেমন বেড়েছে, তেমনি দামও অনেক বেশি। আবার কেজি দরে বিক্রি নিয়েও চলছে অসন্তোষ।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ মানের তরমুজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬৫ টাকায়। ভালো মানেরগুলো বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। এতে বড় আকারের (৮ কেজি) একটি তরমুজ কিনতে ৫০০ টাকার মতো লাগছে।
গত বছর যে তরমুজ ২০০ টাকায় কেনা যেত, সেই তরমুজ কিনতে এবার ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা লাগছে বলে ক্রেতারা জানান।
জামতলা এলাকার বাসিন্দা আরেফিন আমাদেরকে বলেন, “এত বছর যাবৎ নারায়ণগঞ্জে আছি, তরমুজের দাম এত বেশি দেখি নাই। ২০০ টাকার তরমুজ এখন ৪৫০টাকা।
এদিকে ভাই গার্লফ্রেন্ড বায়না ধরসে তরমুজ কিনে খাওয়াতে হবে।কি আর করবো তাই নিজের একটা বিচি বিক্রি করে গার্লফ্রেন্ডের জন্যে তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছি”
আবার এবার সপ্তাহের ব্যবধানে দাম অনেক বেড়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আরেক সুগার ড্যাডি ধন বীর।
ধন বীর বলেন ‘আসলে আমার তো টাকা পয়সার অভাব নেই।আমি হলাম সুগার ড্যাডি।আমার সুগার বেবীদের জন্যে তরমুজের বাগান কিনে নিয়ে এসেছি। তবে আজ বাজারে এলাম দাম টা দেখতে। আমার সুগার বেবীরা তরমুজ পেয়ে খুব খুশী।
তিনি আকারে ইঙ্গিতে চোখ টিপি দিয়ে বলেন ‘সুগার বেবিরা তরমুজ খেতে চাইলে আমার কাছে চলে আসো।একসাথে খাবো..লুল…….
এটা দেখে সাচ্চা প্রেমিক আরেফিন বলেন, ‘দেখলেন তো ভাই ধন বীর এর মতো এইসব সুগার ডেডীদের জন্যেই আমাদের প্রেম টিকে না।কত কষ্ট করে নিজের বিচি বেচা টাকায় একটা তরমুজ কিনলাম আর সে কিনা তরমুজের খেত কিনে নিয়ে এসেছে। ’
এটা নিয়ে বেশ কিচ্ছুক্ষণ সুগার ড্যাডি খ্যাত ধন বীর ও প্রেমিক আরেফিন এর সাথে বাক বিতন্ডা হয়। পরে পুলিশ এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণ আনে বলে জানা যায়

0 Comments