এতে করে মৌসুমী গরুর ব্যবসায়ীরা কিছুটা আশার আলো দেখতে পান।
তেমনি একজন মৌসুমী গরুর ব্যাপারি বাবুল বক্সি,তিনি প্রতি বছর বিভিন্ন গ্রাম থেকে গরু সংগ্রহ করে ঢাকার বিভিন্ন হাটে বিক্রি করেন।
এইবার তিনি চুয়াডাঙ্গা থেকে ১ টি ষাড়ঁ ও ১ টি গাভি সংগ্রহ করেন। একটু বেশী লাভের আশায় তার গার্লফ্রেন্ড এন্গেল জরিনার বুদ্ধিতে ষাঁড়ের নাম দেন শাহেদ ও গাভীর নাম দেয় সাবরিনা। আর এতেই হয় বিপত্তি, মাত্র একদিনের মাথায়ই শাহেদ বিক্রি হয়ে যায়, কিন্তু সাবরিনাকে বাড়োভাতাড়ি সন্দেহে কেউ কিনতে চায় না।
এ ব্যাপারে আমাদের বিশেষ সংবাদদাতা মালে মাল আবুল গরুর ব্যাপারির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন 'ভাই আমার গাভীর নাম মিয়া খলিফা রাখলেও বেচা হইয়া যাইতো কেল্লিগা যে সাবরিনা রাখতে গেছিলাম এখন পুরা হাটে আমার গাভী পরিচিত হইয়া গেছে ইচ্ছা করলেও নাম পাল্টাইতে পারতাছি না'
তবে শাহেদ বিক্রি হয়ে যাওয়াতে উনি কিছুটা খুশি।
প্রতিবেদক - মালে মাল আবুল

0 Comments